Close Menu
Sakoler SangbadSakoler Sangbad
    সকল বিভাগের সংবাদ
    • অন্যান্য
    • অপরাধ
    • অর্থনীতি
    • আদালত
    • আন্তর্জাতিক
    • ইসলাম
    • উপ-সম্পাদকীয়
    • কর্পোরেট সংবাদ
    • কৃষি
    • খেলাধুলা
    • গণমাধ্যম
    • চাকরির খবর
    • জাতীয়
    • তথ্যপ্রযুক্তি
    • প্রবাসের সংবাদ
    • ফিচার
    • বক্স নিউজ
    • বিনোদন
    • ব্যাংক
    • মতামত
    • রাজনীতি
    • লাইফস্টাইল
    • লিড নিউজ
    • শিক্ষা
    • শিল্প-সংস্কৃতি
    • শেয়ারবাজার
    • সম্পাদকীয়
    • সাক্ষাৎকার
    • সারাদেশ
    • সেকেন্ড লিড
    • স্বাস্থ্য
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest YouTube LinkedIn WhatsApp TikTok
    , , , ,
    Facebook X (Twitter) LinkedIn Instagram YouTube
    Sakoler SangbadSakoler Sangbad
    Leaderboard Ad
    • জাতীয়

      টেকনাফ সীমান্তে নিরাপত্তা জোরদারের দাবি বিএনপি-জামায়াতের

      January 11, 2026

      শোক বইয়ে নিজের আবেগ লিখতে নয়াপল্টনে মানুষের ঢল

      December 30, 2025

      মাদারীপুরে দুপক্ষের সংঘর্ষে অর্ধশত ককটেল বিস্ফোরণ, সংঘর্ষে আহত ৫

      December 30, 2025

      ৫ দাবিতে সোমবার থেকে মাঠে নামার হুঁশিয়ারি ৭ কলেজ শিক্ষার্থীদের

      May 17, 2025

      বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকের কাছে সাংবাদিক-ছাত্র ইউনিয়ন নেতার চাঁদাবাজি!

      May 17, 2025
    • রাজনীতি

      সরকারের ১০০ দিন পূর্তি উপলক্ষে রাজাপুরে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত

      June 13, 2026

      ঝালকাঠিতে শহীদ জিয়ার ৪৫তম শাহাদাত বার্ষিকী পালন, প্রধান অতিথি জিয়াউদ্দিন হায়দার

      June 1, 2026

      আমাদের কাজ হবে জিয়াউর রহমানের আদর্শ বাস্তবায়ন করা: রফিকুল ইসলাম জামাল

      May 31, 2026

      বিএনপি সরকারে গেলে নবীর আদর্শে দেশ পরিচালনা করা হবে: তারেক রহমান

      January 22, 2026

      ঝালকাঠি-১ আসনে নির্বাচন করবেন সাবেক ছাত্রনেতা মাওলানা মোঃ আবু ইউসুফ

      December 22, 2025
    • বিনোদন

      ‘যদি সত্যি জানতে চাও, তোমাকে চাই’

      January 11, 2026

      জীবন্ত পোড়ানোর হুমকি সোশ্যাল মিডিয়া ইনফ্লুয়েন্সারকে, অতঃপর…

      March 26, 2025

      সানি লিওনকে ব্যবহার করে টাকা উপার্জন করতেন ভাই

      February 12, 2025

      ১৫ বছরের গোপন প্রেম নিজেই প্রকাশ করলেন নায়িকা

      November 28, 2024

      মনে হচ্ছে বাবার কথাটাই সত্যি হয়েছে: নওশাবা

      September 16, 2024
    • অর্থনীতি

      কেনাকাটার পেমেন্ট, জাকাত-অনুদান, রেমিটেন্স, সালামি- ঈদ-কেন্দ্রিক সব লেনদেন বিকাশে

      March 15, 2026

      দেশের সব টেক্সটাইল মিল বন্ধের ঘোষণা

      January 22, 2026

      ইসলামী ব্যাংকের এক বছরে আমানত বেড়েছে ২২ হাজার কোটি টাকা

      January 10, 2026

      বিকাশ-রকেট-নগদ-এমএফএসে দেওয়া যাবে আমদানি-রপ্তানি শুল্ক-কর

      July 6, 2025

      আর্থিক প্রতিষ্ঠানের খেলাপি ঋণ বেড়ে ২৭,১৮৯ কোটি টাকা

      July 4, 2025
    • কর্পোরেট

      বদিউর রহমান আল-আরাফাহ্ ইসলামী ব্যাংকের চেয়ারম্যান, সেলিম রহমান নির্বাহী কমিটির চেয়ারম্যান নির্বাচিত

      July 16, 2026

      ইসলামী ব্যাংকিং বিষয়ে মিডল্যান্ড ব্যাংকের দুই দিনব্যাপী প্রশিক্ষণ

      July 12, 2026

      বিকাশ-এ ক্যাশ আউট খরচ কমে এখন ১৩.৯৫ টাকা

      July 12, 2026

      বাংলা কিউআর ও ডিজিটাল পেমেন্টের ব্যবহার বাড়াতে বিকাশ পেমেন্টে ১০,০০০ টাকারও বেশি ডিসকাউন্ট ও ক্যাশব্যাক

      July 9, 2026

      বিকাশ ঈদ সালামি ক্যাম্পেইনে কনটেন্ট তৈরি করে পুরস্কার জিতলেন ডিস্ট্রিবিউশন প্রতিষ্ঠানের ১০০ কর্মী

      July 4, 2026
    • আন্তর্জাতিক

      গুলি চালাতে থাকা বন্দুকধারীর অস্ত্র কেড়ে নিয়ে তার দিকে তাক করলেন এই ব্যক্তি

      December 15, 2025

      পারমাণবিক স্থাপনার মারাত্মক ক্ষতি হয়েছে: ইরান

      June 25, 2025

      কাতারে মার্কিন ঘাঁটিতে ইরানের হামলা

      June 23, 2025

      সন্ত্রাসবাদের বিরুদ্ধে ইসলামাবাদ ও দিল্লিকে একসাথে কাজ করার তাগিদ মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রীর

      May 1, 2025

      ইউক্রেনকে গোয়েন্দা তথ্য দেওয়া বন্ধ করে দিলো যুক্তরাষ্ট্র

      March 6, 2025
    • সারাদেশ

      July 13, 2026

      রাজাপুর প্রেসক্লাবের ৩৫ বছরে পদার্পণ উপলক্ষে আলোচনা সভা

      July 4, 2026

      বড়ইয়ায় বিষখালী নদীর ভাঙন রোধে আলোচনা সভা ও ভাঙ্গন কবলিত এলাকা পরিদর্শন

      July 1, 2026

      তরুণ প্রজন্ম সংঘের উদ্যোগে এইচএসি পরীক্ষার্থীদের জন্য দোয়া ও শিক্ষা সামগ্রী বিতরণ

      June 29, 2026

      রাজাপুরের আরুয়ায় ৪ লক্ষ টাকা ব্যয়ে ইট সলিং রাস্তা হওয়ায় উচ্ছ্বসিত আরুয়া বাসি

      June 29, 2026
    • খেলাধুলা

      আন্তর্জাতিক জীববিজ্ঞান অলিম্পিয়াডে বাংলাদেশের প্রতিনিধিত্ব করবেন নলছিটির ইয়াছিন

      June 13, 2026

      বিশ্বকাপে ভারতে খেলবে না বাংলাদেশ

      January 22, 2026

      ফুটবলে নতুন ইতিহাস লিখে প্রথমবার নারী এশিয়ান কাপে বাংলাদেশ

      July 2, 2025

      ১১১ রানের পুঁজি নিয়েও কলকাতার বিপক্ষে অবিশ্বাস্য জয় পাঞ্জাবের

      April 16, 2025

      ওয়েস্ট ইন্ডিজকে হোয়াইটওয়াশ করে ইতিহাস গড়ল বাংলাদেশ

      December 20, 2024
    • শিক্ষা

      তরুণ প্রজন্ম সংঘের উদ্যোগে এইচএসি পরীক্ষার্থীদের জন্য দোয়া ও শিক্ষা সামগ্রী বিতরণ

      June 29, 2026

      নলছিটির তেঁতুলবাড়িয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সভাপতি হলেন মাসুম মোল্লা

      June 27, 2026

      রাজাপুরে টার্গেট এ প্লাস একাডেমির এইচএস সি-২০২৬ ব্যাচের বিদায় সংবর্ধনা অনুষ্ঠিত

      June 27, 2026

      রাজাপুরের সোনারগাঁও মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের সভাপতি হলেন মাসুদ সিকদার

      May 30, 2026

      সোয়া ১০ হাজার পদের বিপরীতে পৌনে ৬ লাখ আবেদন

      November 20, 2025
    • ব্যাংক-বীমা

      খেলাপি ঋণ ২০২৭ সালের মধ্যে সিঙ্গেল ডিজিটে নিয়ে আসায় চ্যালেঞ্জ: সোনালী ব্যাংকের এমডি

      July 16, 2026

      ডিজিটাল ব্যাংকিংয়ের ওপর ব্যাপক জোর দেয়া হচ্ছে: মোসলেহ্ উদ্দীন আহমেদ

      May 9, 2026

      শাহজালাল ইসলামী ব্যাংকের মুনাফা বেড়েছে ১১৮ শতাংশ

      April 9, 2026

      প্রবাসীদরে স্বপ্নরে সারথি ইসলামী ব্যাংক

      April 3, 2026

      আগামী মাসে ব্যাংক খাতে ব্যাপক পরিবর্তন আসছে

      February 24, 2026
    Sakoler SangbadSakoler Sangbad
    শীতে আতঙ্ক নয়, প্রয়োজন সচেতনতা : ডা.মুহাম্মাদ মাহতাব হোসাইন মাজেদ 

    শীতে আতঙ্ক নয়, প্রয়োজন সচেতনতা : ডা.মুহাম্মাদ মাহতাব হোসাইন মাজেদ 

    0
    By রমজান আলী on January 19, 2024 উপ-সম্পাদকীয়
    এবারের শীতে হাড়ে পর্যন্ত কাঁপন ধরে যাচ্ছে। ঢাকাসহ সারা বাংলাদেশে  এমন শীত এর আগে আমি দেখছি বলে মনে পড়ে না”, শীতকাল মানেই শীতল হাওয়া বহমান,চারিদিকে কুয়াশা আছন্ন এক পারিবেশ। শীতকালে রাত বড় হয় ও দিন ছোট হয়ে থাকে। বাংলাদেশ,ভারত ও কিছু অঞ্চলে শীতকাল ডিসেম্বর মাস থেকে ফেব্রুয়ারি মাস পর্যন্ত হয়ে থাকে। তবে নভেম্বর মাসেই এই শীতের বার্তা আসে আমাদের সকলের মাঝে। শীতকালে তাপমাত্রা কম থাকে ও তাপমাত্রা কমে যায়।
    > দীর্ঘ সময়ের কুয়াশা
    যেসব কারণে বাংলাদেশে এ বছর শীত বেশি অনুভূত হচ্ছে, সেগুলোর একটি হচ্ছে দীর্ঘ সময় ধরে কুয়াশা পড়া।
    অন্যান্য বছরের তুলনায় এবার দীর্ঘ সময় ধরে ঘন কুয়াশা পড়তে দেখা যাচ্ছে। কোথাও কোথাও ১৮ থেকে ২০ ঘণ্টা পর্যন্ত কুয়াশা থাকছে বলে জানিয়েছে আবহাওয়া অধিদপ্তর।
     এই দীর্ঘ সময়ের কুয়াশার কারণে সূর্যের কিরণকাল কমে এসেছে। অর্থাৎ সূর্য বেশিক্ষণ আলো দিতে পারছে না।
    “স্বাভাবিক সময়ে সূর্যের কিরণকাল ৮ থেকে ১২ ঘণ্টা হলেও এখন তা কমে দাঁড়িয়েছে তিন থেকে চার ঘণ্টায়।
    এতে ভূপৃষ্ঠ উত্তপ্ত হতে না পারায় দিনের ও রাতের তাপমাত্রার পার্থক্য অনেকটাই কমে গেছে। ফলে শীতও বেশি অনুভূত হচ্ছে।
    “এ বছর দিনের তাপমাত্রা দুই থেকে সাত ডিগ্রি সেলসিয়াস পর্যন্ত কমতে দেখা গেছে। বিশেষ করে ১১ই জানুয়ারির পর থেকে এটি বেশ কমে এসেছে।
    বস্তুতঃ কোনো অঞ্চলের সর্বোচ্চ এবং সর্বনিম্ন তাপমাত্রার পার্থক্য যদি ১০ ডিগ্রি সেলসিয়াসের নিচে আসে, সেখানে শীতের অনুভূতি বাড়তে থাকে।
    আর পার্থক্য যদি পাঁচ ডিগ্রি সেলসিয়াসের নিচে নেমে আসে, তাহলে সেখানে শীতের অনুভূতি প্রকট থেকে প্রকটতর হয়।
    অর্থাৎ “হাড়কাঁপানো শীত অনুভূত হয়” বলে জানান আবহাওয়াবিদ ড. মুহাম্মদ আবুল কালাম মল্লিক।
    গত এক সপ্তাহে বিভিন্ন জেলার সর্বোচ্চ ও সর্বনিম্ন তাপমাত্রার তুলনা করে দেখা গেছে রংপুর, দিনাজপুর, তেতুলিয়ার মতো উত্তরবঙ্গের বেশিরভাগ অঞ্চলেই তাপমাত্রার পার্থক্য পাঁচ ডিগ্রি সেলসিয়াসের কম।
    এছাড়া ঢাকা, বগুড়া, ময়মনসিংহ ও সিলেট অঞ্চলে তাপমাত্রার পার্থক্য ১০ ডিগ্রি সেলসিয়াসের কম দেখা গেছে।
    > হঠাৎ কুয়াশা বাড়ছে কেন?
    বায়ুর মান পর্যবেক্ষণকারী সংস্থা আইকিউ এয়ারের সূচকে সম্প্রতি বেশ কয়েকবারই ঢাকাকে শীর্ষ দূষিত শহরের তালিকায় দেখা গেছে।
    যানবাহন, ইটভাটা ও শিল্প-কারখানার দূষিত ধোঁয়ার পাশাপাশি নির্মাণকাজের সংখ্যা বৃদ্ধিসহ নানান কারণে সারাদেশেই আগের চেয়ে বায়ু দূষণ বেড়েছে বলে বিভিন্ন গবেষণায় বলা হচ্ছে।
    এর মধ্যেই আবার জানুয়ারি মাসে দিল্লিসহ ভারতের বিভিন্ন রাজ্য থেকে দূষিত বায়ু প্রবেশের পরিমাণ বেড়েছে বলে জানাচ্ছে আবহাওয়া অধিদপ্তর।
    “দূষিত এই বাতাসে প্রচুর পরিমাণে ধূলিকণা মিশে রয়েছে, যা মেঘ ও কুয়াশা তৈরিতে নিয়ামক হিসেবে ভূমিকা রাখছে” বিবিসি বাংলাকে বলেন মি. মল্লিক।
    গত দুই সপ্তাহে রাজশাহী, রংপুর, ময়মনসিংহ, সিলেটের বেশি কিছু এলাকায় বিকেল পর্যন্ত কুয়াশা দেখা গেছে।
    এছাড়া কোথাও কোথাও কুয়াশা বেশি থাকায় সারাদিনে একবারও সূর্যের মুখ দেখা যায়নি বলে জানা গেছে।
    > ঘন কুশায়ায় স্বাস্থ্য ঝুঁকি
    বায়ু দূষণের কারণে অন্যান্য বছরের তুলনায় এবার সারাদেশেই বেশি কুয়াশা দেখা যাচ্ছে বলে জানিয়েছে আবহাওয়া অধিদপ্তর।
    ধূলিকণাময় এই কুয়াশা শ্বাস-প্রশ্বাসের সাথে শরীরে ঢুকলে নানা ধরনের স্বাস্থ্য ঝুঁকি তৈরি হতে পারে বলে বিবিসি বাংলাকে জানিয়েছেন ঢাকা মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতালের শিক্ষক ডা. শাহনূর শরমিন।
    “বাংলাদেশে এখন আমরা আগের চেয়ে বেশি ফুসফুসের সমস্যা ও এলার্জিজনিত রোগ দেখতে পাচ্ছি। কুয়াশায় মিশে থাকা ধূলিকণা এসব রোগীদের শ্বাসযন্ত্রে ঢুকলে জটিলতা আরও বাড়তে পারে” বিবিসি বাংলাকে বলছিলেন মিজ শরমিন।
    এছাড়া যাদের শ্বাসকষ্ট বা এলার্জিজনিত রোগ নেই, ধূলিকণা সমৃদ্ধ কুয়াশা শরীরে ঢুকলে তারাও এসব রোগে আক্রান্ত হতে পারেন।
    “সেজন্য কুয়াশার মধ্যে বাইরে বের হলে অবশ্যই মাস্ক পরে বের হতে হবে”, বিবিসি বাংলাকে বলেন ডা. শাহনূর শরমিন।
    পাশাপাশি শিশুদের ক্ষেত্রে একটু বাড়তি সতর্কতা অবলম্বনের পরামর্শ দিয়েছেন তিনি।
    “গরম কাপড় পরানোর পাশাপাশি শিশুদেরও মাস্ক পরাতে হবে। তবে তাদেরকে কুয়াশার মধ্যে বাইরে বের না হতে দেওয়াটাই উত্তম”, বলেন মিজ শরমিন।
    > বৃষ্টি ও শৈত্যপ্রবাহ
    এমনিতেই গত কয়েকদিন ধরে শীত বেশ জেঁকে বসেছে। এর মধ্যে আবার শুরু বৃহস্পতিবার রাতে বৃষ্টি দেখা দিয়েছে।
    আবহাওয়া অধিদপ্তর বলছে, আগামী কয়েকদিন দেশের বিভিন্ন জেলায় আকাশ আংশিক মেঘলা থাকতে পারে।আর তাপমাত্রা আট থেকে দশ ডিগ্রি সেলসিয়াস হলে সেটিকে মৃদু শৈত্যপ্রবাহ বলা হয়।
    এছাড়া ছয় থেকে আট ডিগ্রি সেলসিয়াসে নামলে মাঝারি শৈত্যপ্রবাহ এবং চার থেকে ছয় ডিগ্রি সেলসিয়াসের মধ্যে থাকলে সেটিকে তীব্র শৈত্যপ্রবাহ বলা হয়।
    আর তাপমাত্রা চার ডিগ্রি সেলসিয়াসের নিচে নেমে গেলে হয় অতি তীব্র শৈত্যপ্রবাহ।
    চুয়াডাঙ্গা, কিশোরগঞ্জ, ঈশ্বরদীসহ অল্প কয়েকটি জেলায় এবছর মৃদু শৈত্যপ্রবাহ দেখা গেলেও সেটি তীব্র আকার ধারণ করেনি।
    তবে জানুয়ারির শেষের দিকে সারাদেশে মৃদু বা মাঝারি ধরনের শৈত্যপ্রবাহ দেখা যেতে পারে বলে  জানিয়েছেন আবহাওয়াবিদ ড. মুহাম্মদ আবুল কালাম মল্লিক।তবে আমাদের দেশে শীতকাল মুষ্টিমেয় কিছু মানুষের জন্য আরামদায়ক হলেও অধিকাংশ মানুষের জন্য কষ্টের। গৃহহীন, বস্ত্রহীন দরিদ্র মানুষসহ নিম্ন আয়ের মানুষের জন্য শীত অসহনীয় ও জুলুমস্বরূপ। আগাম শীতে এমনিতেই জনজীবন আড়ষ্ঠ হয়ে পড়েছিল, এখন শীত জেঁকে বসায় তার প্রভাব ও প্রতিক্রিয়া বৃদ্ধি পেয়েছে। আগামীতে আরো বৃদ্ধি পাবে। এখনো শৈত্যপ্রবাহ বইতে শুরু করেনি। শৈত্যপ্রবাহ দেখা দিলে জনজীবন চরম বিপর্যয়ের মধ্যে পতিত হবে।আর শীতকালীন রোগের প্রকোপ বেড়েছে। ঠান্ডাজনিত নানা রোগব্যাধিতে আক্রান্ত হচ্ছে মানুষ। শিশু ও বৃদ্ধরা ঠান্ডাজনিত বিভিন্ন রোগে আক্রান্ত হচ্ছেন। এতে সর্দি, কাশি ও হাঁপানিজনিত রোগের প্রাদুর্ভাব দেখা দিয়েছে। মজুর পরিবারের মধ্য বয়সী ও বৃদ্ধরা কর্মহীন হয়ে পড়েছে। বেশি ভুগছে শিশু। ডায়রিয়ায় গত এক সপ্তাহে সবচেয়ে বেশি মানুষ আক্রান্ত হয়েছে। এরপরই রয়েছে শ্বাসতন্ত্রের সংক্রমণজনিত সমস্যা, নিউমোনিয়া, জন্ডিস, আমাশয়, চোখের প্রদাহ, জ্বরসহ নানা রোগব্যাধি বৃদ্ধি পেয়েছে। আর বাংলাদেশে ঋতু পরিবর্তনের সাথে সাথেই আমাদের মাঝে নানা রোগব্যাধির প্রবণতা বেড়ে যায়। আমাদের মৌসুমি জলবায়ুর দেশে প্রতিটি ঋতু পরিবর্তনের সময়ই দেখা যায় আবহাওয়ার ব্যাপক পরিবর্তন। আবহাওয়ার এই পরিবর্তনের সাথে সাথে শিশুসহ সকল বয়সের মানুষের মধ্যে রোগাক্রান্ত হওয়ার প্রবণতা বেড়ে যায়। এই বাড়তি অসুখের কারণ হলো, আবহাওয়ার এসব পরিবর্তন রোগের নানা উপলক্ষকে করে ত্বরান্বিত যার ফলে বিভিন্ন সময়ে বিভিন্ন রোগের সংক্রমণ বেড়ে যায়।যেহেতু এই তীব্র শীতে শিশুরা নিউমোনিয়া, ব্রংকিওলাইটিসহ নানা রোগে খুব সহজেই আক্রান্ত হয়, সেহেতু তাদের এই সময়টাতে শীত উপযোগী কাপড় পরিধান করাতে হবে। গরম কাপড় দিয়ে শিশুদের মাথা ঢেকে রাখলে শরীরের সঠিক তাপমাত্রা বজায় থাকবে। রুম হিটার ব্যবহার করতে পারেন। তবে লম্বা সময় ধরে রুম হিটার ব্যবহার করলে ত্বক শুষ্ক হয়ে যেতে পারে। সম্ভব হলে ৫ বছরের কম বয়সী শিশুদের ঘর থেকে বাইরে বের না করাই উত্তম। শিশুদের অ্যাজমা প্রতিরোধে অবশ্যই ধুলোবালি থেকে দূরে রাখতে হবে। প্রয়োজনে মুখে মাস্ক ব্যবহার করতে হবে। দৈনন্দিন ব্যবহার্য জামাকাপড় নিয়মিত সাবান পানি দিয়ে ধুয়ে দিতে হবে। শীতবস্ত্র,লেপ-তোশক নিয়মিত রোদে দিতে হবে।
    ডায়ারিয়ায় আক্রান্ত হলে অবশ্যই শিশুকে পর্যাপ্ত পরিমাণে স্যালাইন খাওয়াতে হবে। শীত বলে ঠাণ্ডা লাগার ভয়ে অনেকে এ সময় শিশুদের স্যালাইন খাওয়াতে চান না, যা মোটেই ঠিক নয়। সেই সঙ্গে স্বাভাবিক খাবারও খাওয়াতে হবে। অ্যাজমা বা শ্বাসকষ্টের প্রকোপ এই সময় বাড়ে বলে রোগীদের খুব ঠাণ্ডা আবহাওয়ায় বাইরে না যাওয়াই উত্তম। আবাসস্থল পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন এবং বিশুদ্ধ বায়ু চলাচলের ব্যবস্থা রাখতে হবে। কোনো কারণে অ্যাজমা পরিস্থিতির অবনতি হলে যত দ্রুত সম্ভব রোগীকে হাসপাতালে নিয়ে চিকিৎসা দিতে হবে।
    এই শীতে বিশেষ করে বয়স্কদের আর্থ্রাইটিস বা বাতের সমস্যা বেশি বাড়ে। রিউমাটয়েড আর্থ্রাইটিস,এনকাইলোজিং স্পন্ডিওলাইটিস, স্পন্ডাইলো আর্থ্রাইটিস, রি-অ্যাকটিভ আর্থ্রাইটিস, অস্টিও- আর্থ্রাইটিস রোগীদের শীতের চলাফেরা বা মুভমেন্ট কম হয় বলে ব্যথার প্রকোপ বেড়ে যায়। এ জন্য যথাসম্ভব গরম উত্তাপে থাকা, মোজা পরিধান করা, ব্যথার স্থানে হালকা গরম সেক দেয়া, যতটুকু সম্ভব ঘরেই হালকা মুভমেন্ট করা উচিত। তাছাড়া তীব্র ঠাণ্ডায় বাতের কিছু রোগীর হাত-পা নীল হয়ে যেতে পারে(রেনোড ফেনোমেনা) । অনেকের গ্যাংগ্রিনও হয়। এ জন্য চিকিৎসকদের নির্দেশনা মেনে চলা উচিত। এসব রোগীর বারবার পানি ব্যবহার না করাই শ্রেয়।
    তীব্র শীতে বিশেষ করে ভোরের দিকে হার্ট অ্যাটাকের ঝুঁকি বাড়ে। এক্ষেত্রে উচ্চরক্তচাপ ও ডায়াবেটিস আক্রান্তদের ঝুঁকি বেশি। তাই এই শীতে কুয়াশার মধ্যে না হেঁটে, একটু রোদ উঠলে হাঁটাহাঁটি বা ব্যায়াম করা উচিত। তীব্র শীতের আরেকটি মারাত্মক সমস্যা হলো হাইপোথার্মিয়া, এতে রোগীর মৃত্যুও ঘটতে পারে। এই পরিস্থিতিতে কেউ পড়লে রোগীকে দ্রুত গরম আবহাওয়ায় এনে গরম কাপড় পরিধান করে গরম পানি পান করাতে হবে।
    তাই শীতের তীব্রতায় এসব শারীরিক সমস্যা থেকে বাঁচতে হলে আতঙ্কিত না হয়ে প্রয়োজন একটু বাড়তি সতর্কতা। এ সময় সবার উচিত কুসুম কুসুম গরম পানি পান করা। এতে শ্বাসনালিতে মিউকাস তৈরি হয়ে রোগজীবাণু বের হয়ে যায়। এ ছাড়া গোসল ও অন্যান্য কাজে গরম পানি ব্যবহার করাই উত্তম। পরিবারের কেউ ঠাণ্ডা-জ্বরে আক্রান্ত হলে অন্যদেরও সাবধান থাকতে হবে। বিশেষ করে হাঁচি-কাশির সময় মুখে রুমাল ব্যবহার করতে হবে।
    এই শীতে কমলা, মাল্টা, বেদানা, মধু, তুলসীপাতা, পালং ও সরিষার শাক, গাজর, ফুলকপি, বাঁধাকপি, রসুন, পেঁয়াজ, আদা, সবুজ শাকসবজি, গ্রিন-টি বেশি করে খাওয়া উচিত। এগুলোর মধ্যে উপস্থিত ফাইবার ও অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট শরীরের সজীবতা বজায় রাখে, খাদ্য হজমে সাহায্য করে। শরীরের নিস্তেজভাব কাটায়। টাটকা ফল ও সবজিতে রয়েছে বায়োটিন যা ত্বক ও চুল ভালো রাখে।যেকোনো সমস্যা দেখা দিলে  অভিজ্ঞ চিকিৎসক’র পরামর্শ নিতে হবে।
    পরিশেষে বলতে চাই, শীত কোনো প্রাকৃতিক দুর্যোগ নয়। তবে আমাদের দেশের দরিদ্র, অসহায়, বৃদ্ধ ও শিশুদের জন্য তা প্রাকৃতিক দুর্যোগের মতোই আপতিত হয়। তাদের দুর্ভোগ, বিড়ম্বনা, দুঃখ-যাতনার শেষ থাকে না। তাই দুর্যোগ মোকাবিলায় যে ধরনের পদক্ষেপ নেয়া হয়, শীত মোকাবিলায়ও সে ধরনের পদক্ষেপ সরকারকে নিতে হবে। অতীতে নানা প্রাকৃতিক বিপর্যয়, জাতীয় বিপদ-মুসিবতের সময় দেখা গেছে, বিভিন্ন রাজনৈতিক দল, সংগঠন, এনজিও স্বতঃস্ফূর্তভাবে এগিয়ে এসেছে। বিড়ম্বিত ও অসহায় মানুষকে সাহায্য করেছে। এখন সেটা দেখা যায় না। শীতের সময় শীতার্তদের মধ্যে শীতবস্ত্র বিতরণ অতীতে অতি সাধারণ ঘটনা হলেও সাম্প্রতিক বছরগুলোতে বেসরকারি পর্যায়ে শীতবস্ত্র বিতরণ একেবারেই কমে গেছে, নেই বললেই চলে। প্রশ্ন হলো, বিপন্ন, দায়গ্রস্ত, সাহায্যপ্রার্থী মানুষের প্রতি সাধারণভাবে মানুষের সহানুভূতি, মায়া-মমতা ও কর্তব্যবোধ কি তবে হ্রাস পেয়েছে? মানুষ যদি মানুষের জন্য হয়, তবে একের প্রয়োজনে অন্যের সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দিতেই হবে। এটা মানবতার সর্বশ্রেষ্ঠ প্রকাশ। সরকার তার করণীয় করবে। বিভিন্ন সংগঠন, সংস্থা ও সামর্থ্যবান মানুষ করবে তাদের কর্তব্য। সঙ্গতকারণেই আমরা আশা করবো, সরকার শীতার্ত মানুষের জন্য একটি ব্যাপকভিত্তিক কর্মসূচি এখনই নেবে। বেসরকারি পর্যায় থেকেও অনুরূপ কর্মসূচি নেয়া হবে।তাই এই শীতের সময়  করোনা ও ডেঙ্গু আক্রান্ত হওয়া থেকে বাঁচতে মানুষকে আরও বেশি সতর্কতা অবলম্বন করতে  হবে।
    লেখক, প্রতিষ্ঠাতা ও চেয়ারম্যান, জাতীয় রোগী কল্যাণ সোসাইটি
    চিকিৎসক, কলাম লেখক ও গবেষক
    Shares0ShareTweetLinkedInEmailPinPrint
    Previous Articleজীবনে কোনো অনিয়ম করিনি, সহ্যও করব না : স্বাস্থ্যমন্ত্রী
    Next Article ডাক্তারদের গলাকাটা ফি ও ওষুধ বাণিজ্যের লাগামহীনতা আর কত ? : এস.এম.রাহমান জিকু

    এই বিষয়ে আরও কিছু সংবাদ

    শাহ্জালাল ইসলামী ব্যাংক উন্মুক্ত ও জুনিয়র টেনিস টুর্নামেন্ট-২০২৬ এর ফাইনাল ও সমাপনী অনুষ্ঠানের আয়োজন

    আলোচিত এক নাম জেফরি এপস্টিন: ক্ষমতা, অর্থ ও অন্ধকার অপরাধের এক বিতর্কিত অধ্যায়

    আবারও বিকাশ এর ব্র্যান্ড এনডোর্সার হলেন মেহজাবীন

    দ্রব্যমূল্য ও নতুন সরকার শাহ মো. জিয়াউদ্দিন

    শিক্ষাখাতে অগ্রযাত্রা এবং নির্বাচনী ইশতেহার : সৈয়দ মো. সিয়াম

    ট্রান্সজেন্ডার ও সমাজের দৃষ্টিভঙ্গি: জিয়াউদ্দীন আহমেদ

    সাম্প্রতিক সংবাদ

    বদিউর রহমান আল-আরাফাহ্ ইসলামী ব্যাংকের চেয়ারম্যান, সেলিম রহমান নির্বাহী কমিটির চেয়ারম্যান নির্বাচিত

    July 16, 2026

    খেলাপি ঋণ ২০২৭ সালের মধ্যে সিঙ্গেল ডিজিটে নিয়ে আসায় চ্যালেঞ্জ: সোনালী ব্যাংকের এমডি

    July 16, 2026

    July 13, 2026

    ইসলামী ব্যাংকিং বিষয়ে মিডল্যান্ড ব্যাংকের দুই দিনব্যাপী প্রশিক্ষণ

    July 12, 2026

    বিকাশ-এ ক্যাশ আউট খরচ কমে এখন ১৩.৯৫ টাকা

    July 12, 2026
    সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে আমরা
    • Facebook
    • Twitter
    • Pinterest
    • Instagram
    • YouTube
    • LinkedIn
    • TikTok
    • WhatsApp
    এই সংবাদগুলো মিস করছেন না তো?

    বদিউর রহমান আল-আরাফাহ্ ইসলামী ব্যাংকের চেয়ারম্যান, সেলিম রহমান নির্বাহী কমিটির চেয়ারম্যান নির্বাচিত

    আল-আরাফাহ্ ইসলামী ব্যাংক পিএলসির পরিচালনা পর্ষদের চেয়ারম্যান হিসেবে বদিউর রহমান এবং নির্বাহী কমিটির চেয়ারম্যান হিসেবে…

    July 16, 2026

    খেলাপি ঋণ ২০২৭ সালের মধ্যে সিঙ্গেল ডিজিটে নিয়ে আসায় চ্যালেঞ্জ: সোনালী ব্যাংকের এমডি

    July 13, 2026

    July 12, 2026

    ইসলামী ব্যাংকিং বিষয়ে মিডল্যান্ড ব্যাংকের দুই দিনব্যাপী প্রশিক্ষণ

    July 12, 2026

    বিকাশ-এ ক্যাশ আউট খরচ কমে এখন ১৩.৯৫ টাকা

    প্রধান সম্পাদক : কুদরত এলাহী
    নির্বাহী সম্পাদক : মোঃ রাজু আহমেদ
    ঠিকানা: ৫৫/২, পুরানা পল্টন লেন, ঢাকা-১০০০।
    ইমেইল: admin@sakolersangbad.com
    যোগাযোগ: ০১৬১০ ৩৩২২৭০

    • Facebook
    • Twitter
    • Pinterest
    • Instagram
    • YouTube
    • LinkedIn
    • TikTok
    • WhatsApp
    বিজ্ঞাপনের জন্য

    ইমেইল : sakolersangbad@gmail.com
    মোবাইলঃ
    নিউজ মেইলঃ

    কপিরাইট 2026 সকলের সংবাদ.কম
    • জাতীয়
    • রাজনীতি
    • অর্থনীতি
    • আন্তর্জাতিক
    • সারাদেশ
    • খেলাধুলা
    • বিনোদন
    • লাইফস্টাইল
    • শিল্প-সংস্কৃতি
    • তথ্যপ্রযুক্তি
    • মতামত

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.