নিজস্ব প্রতিবেদক : ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশ (টিআইবি) এক প্রতিবেদনে উল্লেখ করেছে এবার আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ৫১টি রাজনৈতিক দল অংশ নিচ্ছে। সারাদেশে চূড়ান্ত প্রার্থীর সংখ্যা ১৯৮১ জন। এরমধ্যে ৪৮ শতাংশের বেশি প্রার্থীর মূল পেশা ব্যবসা। পেশা হিসেবে রাজনীতি করেন ১ দশমিক ৫৬ শতাংশ, আইন পেশা ও শিক্ষকতায় নিয়োজিত যথাক্রমে ১২ দশমিক ৬১ ও ১১ দশমিক ৫৬ শতাংশ প্রার্থী।
নির্বাচনে প্রথমবার প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন ১ হাজার ৬৯৬ জন প্রার্থী। বিগত ৫ নির্বাচনের তুলনায় স্নাতক ও স্নাতকোত্তর ডিগ্রিধারী এবারই সবচেয়ে বেশি।
আজ বৃহস্পতিবার (২২ জানুয়ারি) সকালে ধানমন্ডিতে ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশ (টিআইবি) কার্যালয়ে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য তুলে ধরা হয়।
সংবাদ সম্মেলনে আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অংশগ্রহণকারী প্রার্থীদের হলফনামা বিশ্লেষণের মাধ্যমে প্রস্তুতকৃত ‘হলফনামায় প্রার্থী পরিচিতি ২০২৬’ শীর্ষক প্রতিবেদন প্রকাশ এবং কেওয়াইসি ড্যাশবোর্ড উন্মুক্ত করা হয়। টিআইবির নির্বাহী পরিচালক ইফতেখারুজ্জামান, আউটরিচ অ্যান্ড কমিউনিকেশন ডেপুটি কো-অর্ডিনেটর জাফর সাদিক, উপদেষ্টা ও নির্বাহী ব্যবস্থাপনা অধ্যাপক সুমাইয়া খায়ের প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।
মূল প্রবন্ধে টিআইবির আউটরিচ অ্যান্ড কমিউনিকেশন বিভাগের পরিচালক মোহাম্মদ তৌহিদুল ইসলাম বলেন, প্রতিবারের মতো এবারও নারী প্রার্থীদের অংশগ্রহণ ৫ শতাংশের লক্ষ্যমাত্রা পূরণ করতে পারেনি।
তিনি বলেন, অস্থাবর ও স্থাবর সম্পত্তির মূল্য অনুযায়ী কোটিপতি ৮৯১ জন। ১০০ কোটি টাকার বেশি স্থাবর-অস্থাবর সম্পদ আছে এমন প্রার্থীর সংখ্যা ২৭ জন।
প্রার্থীদের মধ্যে মামলা আছে ৫৩০ জনের, ২৫৯ প্রার্থীর তুলনায় তার স্বামী/স্ত্রী নির্ভরশীলদের অস্থাবর সম্পদ বেশি। ১১৮ প্রার্থীর তুলনায় তার স্বামী/স্ত্রী নির্ভরশীলদের দালান বা ফ্ল্যাট সংখ্যা বেশি, ১৬৪ প্রার্থীর তুলনায় তার স্বামী/স্ত্রী নির্ভরশীলদের জমির পরিমান বেশি। প্রার্থীদের মধ্যে টিআইএন দিয়েছেন ৯৭ দশমিক ২৫ শতাংশ।



